মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মিষ্টি আলু চাষে হাসি ফুটেছে কৃষক সেলিম মিয়ার মুখে জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী অমর একুশে বইমেলায় লিমনের দু’টি নতুন গল্পগ্রন্থ প্রকাশ প্রশাসনের সভায় এমপি’র স্ত্রী, ইউএনও ও এসি ল্যান্ডকে বদলি ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ালো কাতার বাহুবল প্রেসক্লাবের সঙ্গে রেজা পত্নী সিমি কিবরিয়ার মতবিনিময় বর্তমান বাংলা’র চুনারঘাট প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন আসাদ ঠাকুর যে যাই বলুক না কেন, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে : প্রধান উপদেষ্টা চুনারুঘাটে সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক বিক্রেতাদের আটক বাহুবলে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে রাতভর অভিযান, যুবকের কারাদণ্ড

কলার চেয়ে উপকারী কলার খোসা

তরফ নিউজ ডেস্ক: সুস্থ থাকতে ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। এই সত্য জানে না এমন আর কে আছে। ওজন কমানো থেকে এনার্জি বাড়ানো সবকিছুতেই ডায়েট চার্টে সবার উপরে থাকবে ফল। তবে তার থেকেও যে বেশি উপকারী ফলের খোসা, সে কাথা জানে কজন? এমনটাই এখন দাবি করছেন ডায়েটেশিয়ানরা।

এই যেমন ধরুন কলা। কলার থেকেও নাকি বেশি উপকারী কলার খোসা। কলার মধ্যে থাকা ভিটামিন বি-৬, বি-১২, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম যেমন হজমে সাহায্য করে, তেমনই কলায় থাকা প্রচুর পরিমান ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখে। কলা যেমন আমরা এমনি খেতে অভ্যস্ত, তেমনি কর্নফ্লেক্সের সঙ্গে, কলার পুডিং, মাফিন, কেক এমনকী, কলার বড়াও বেশ উপাদেয়।

তবে কলা যেভাবেই খাই না কেন খোসাটি কিন্তু যায় ডাস্টবিনে। অথচ এই কলার খোসাতেই থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ। যা শুধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই বাড়িয়ে তোলে না, যেকোনো সংক্রমণ রুখতেও অত্যন্ত উপকারী। খোসার মধ্যে থাকা লুটিন নামক পদার্থ দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও উপকারী। এছাড়া কলার খোসায় থাকা প্রচুর পরিমান অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাশাপাশি শরীরে রক্তচাপের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সবুজ না হলুদ কোন খোসা বেশি উপকারী?

জাপানের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ খোসার থেকে বেশি উপকারী হলুদ খোসা। এই খোসা রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমান ঠিক রেখে ক্যানসার মোকাবিলা করতে পারে। সবুজ খোসার ক্ষেত্রে ১০ মিনিট খোসা সেদ্ধ করে খেলে উপকার পাওয়া যাবে। অন্যদিকে সবুজ খোসার মধ্যে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ট্রিপ্টোফ্যানের কারণে রাতে ভালো ঘুম হয়। সবুজ খোসার মধ্যে থাকা সিরোটোনিন অবসাদের মোকাবিলা করতেও সক্ষম। আবার ডোপামিনের সাহায্যে কিডনিতে রক্ত চলাচল ভালো হয়।

যেভাবে খাবেন কলার খোসা

নানা রকম ভাবে খাওয়া যায় কলার খোসা। এশিয়া ও ক্যারিবিয়ান দ্বীপগুলোতে কলার শাঁস ও খোসা প্রায় একসঙ্গেই খাওয়া হয়। এছাড়া বানানা পিল টি বা বানানা পিল স্মুদি উইথ আইসক্রিমও স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে বেশি জনপ্রিয়। কেউ কাঁচা খোসা খেতে পছন্দ করেন, কেউ বা সেদ্ধ করে খেতে পছন্দ করেন। যেভাবেই খান না কেন, খেতে পারলে লাভবান আপনিই হবেন।

কলার খোসার অন্যান্য ব্যবহার

করার খোসা দিয়ে দাঁত ঘষলে দাঁত ঝকঝকে সাদা হয়, ব্রণ দূর করে, অবসাদ কাটাতে সাহায্য করে, মুখের কালো দাগ দূর করে, অতি বেগুনি রশ্মী থেকে সুরক্ষা দেয়, বলিরেখা দূর হয়, দাদের ওষুধ, মসৃণ ত্বকের জন্য, খোসপাঁচড়া দূর করে, মাটির উর্বরতা বাড়ায়, গহনা পরিষ্কারে কাজে লাগে ইত্যাদি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com